জন প্রতিনিধিত্বের জন্য নির্বাচন করা হয় শাসন বিভাগের সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ স্তরে। মূলত আমাদের দেশে জন প্রতিনিধি শব্দটির চেয়ে শাসক শব্দটিই অধিকতর গ্রহনযোগ্য। কেননা নির্বাচিত প্রতিনিধি আর জনপ্রতিনিধি থাকেননা কোনভাবেই, হয়ে যান শাসক।। বাই দা ওয়ে, আজকের বিষয় সেটা নয়। বিষয়টি হলো, প্রতিনিধিদের কে নির্বাচিত করেন অঞ্চল বা দেশের ভোটারগন, কোনভাবেই এর কম বয়সী শিশু কিশোর নয়। বুঝলাম নির্বাচন অনেকটা উত্সবের মতো সেখানে সবাই উত্সবের ন্যায় আনন্দে মেতে উঠবে তা স্বাভাবিক কিন্তু যাদের অংশগ্রহন, স্লোগান বা মিছিলে গমন ছাড়া প্রতিনিধি নির্বাচিত করার মুল্যবান ভোটাধিকার নেই, অনেকে ভোট বিষয়টিতেই অজ্ঞ সেই শিশুদেরকে কেন সামান্য কিছু খাবার অথবা টাকার বিনিময়ে দিনে কিংবা রাতে ব্যবহার করা হচ্ছে??? এসব কি নির্বাচনী বিধিমালানুযায়ী বৈধ? আমার জানা নেই। যদি বৈধ হয় তবে তা পরিহার করা উচিত, আর যদি অবৈধ হয় তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত আইন বিভাগের সহায়তায় নির্বাচনী প্রচারনায় শিশুদের ব্যবহারকারী সেসব প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া!! নইলে এসব থেকে শিশুরা শিখবে হানাহানি, মিথ্যাচার কিংবা এর চেয়েও খারাপ কিছু। আর সেইসব শিশুদের কাছ থেকে নিশ্চয়ই আমরা ভালো কিছু আশা করতে পারবোনা। যেহেতু কেহই আমরা এমন অন্ধকার ভবিষ্যত্ দেখতে চাইনা, তাই এখনি সময় এইসব (ইহা ছাড়াও শিশুশ্রম) হীনতর কাজ হতে শিশুকে মুক্তি দিয়ে তাদের জন্য যথোপযুক্ত ভবিষ্যত্ এবং সুস্থ পরিবেশ গঠনে সহায়তা করার।